Natural Terracotta Foot Scrubber - প্রাকৃতিক পোড়ামাটির পা ঘষার পাথর

Natural Terracotta Foot Scrubber - প্রাকৃতিক পোড়ামাটির পা ঘষার পাথর

Sale price  Tk 60.00 Regular price  Tk 100.00
Skip to product information
Natural Terracotta Foot Scrubber - প্রাকৃতিক পোড়ামাটির পা ঘষার পাথর

Natural Terracotta Foot Scrubber - প্রাকৃতিক পোড়ামাটির পা ঘষার পাথর

Sale price  Tk 60.00 Regular price  Tk 100.00

মুখের ত্বকের যত্ন নিলেও আমরা অনেকেই পায়ের গোড়ালির সঠিক যত্ন নিতে ভুলে যাই। ফলে সারা বছরের ধুলোবালি আর অযত্নে গোড়ালি ফাটা, খসখসে ভাব এবং শক্ত মরা চামড়ার (Dead skin cells) সমস্যা দেখা দেয়। বাজারে থাকা প্লাস্টিক বা কৃত্রিম পিউমিস স্টোন অনেক সময় পায়ের নরম ত্বকের ক্ষতি করে।

এই সমস্যার সবচেয়ে নিরাপদ ও প্রাকৃতিক সমাধান হলো আমাদের 'ঐতিহ্যবাহী পোড়ামাটির পা ঘষার পাথর বা ঝামা (৩ পিসের সেট)'। উত্তরবঙ্গের দক্ষ মৃৎশিল্পীদের হাতে তৈরি এই ঝামার উপরিভাগের বিশেষ মধুচক্রের মতো খাঁজকাটা গঠন খুব সহজেই পায়ের মৃত কোষ দূর করে প্রাকৃতিক গ্লৌ ফিরিয়ে আনে।

কেন আমাদের ৩ পিসের মাটির ঝামা প্যাক সেরা?
৩ পিসের সাশ্রয়ী ফ্যামিলি প্যাক: একসাথে ৩টি ঝামা থাকায় পরিবারের প্রত্যেকে আলাদাভাবে নিজের হাইজিন (Hygiene) বজায় রেখে পার্সোনাল স্ক্র্যাবার ব্যবহার করতে পারবেন।
গোড়ালি ফাটা ও মরা চামড়া দূর করে: নিয়মিত ব্যবহারে পায়ের গোড়ালির শক্ত চামড়া ও ফাটা ভাব দূর হয়ে পা হয় বাচ্চাদের মতো নরম ও কোমল।
রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে: গোসলের সময় আলতো করে ম্যাসাজ করলে পায়ের রক্ত সঞ্চালন (Blood circulation) বাড়ে এবং সারাদিনের ক্লান্তি দূর হয়ে রিল্যাক্স লাগে।
শতভাগ প্রাকৃতিক ও পরিবেশবান্ধব: কোনো ধরনের প্লাস্টিক, কৃত্রিম রং বা ক্ষতিকর কেমিক্যাল নেই। পোড়ামাটি দিয়ে তৈরি হওয়ায় এটি ত্বকের জন্য ১০০% নিরাপদ।
দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই: প্লাস্টিকের স্ক্র্যাবারের মতো এটি সহজে ক্ষয় হয় না বা নষ্ট হয় না।

কীভাবে ব্যবহার করবেন (Step-by-Step Guide):
পা ভিজিয়ে নিন: গোসলের সময় বা কুসুম গরম পানিতে সামান্য লবণ/শ্যাম্পু দিয়ে ১০ মিনিট পা ভিজিয়ে রাখুন। এতে পায়ের শক্ত চামড়া নরম হয়ে যাবে।
আলতো করে ঘষুন: ভেজা পায়ে মাটির ঝামাটি দিয়ে গোড়ালি এবং শক্ত অংশগুলোতে আলতো করে গোল গোল করে (Circular motion) ঘষুন। খুব বেশি জোরে চাপ দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
ধুয়ে ময়েশ্চারাইজ করুন: পা পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে মুছে নিন। এরপর যেকোনো ভালো লোশন, গ্লিসারিন বা নারিকেল তেল মেখে নিন।
যত্ন ও সংরক্ষণ: ব্যবহারের পর ঝামাটি ভালো করে ধুয়ে বাথরুমে না রেখে আলো-বাতাস আছে এমন খোলা জায়গায় শুকিয়ে রাখুন।

You may also like